ড্রেনেজ নেটের একটি জালিকার মতো কাঠামো থাকে এবং এর কাঁচামাল মূলত ধাতু, প্লাস্টিক ইত্যাদি। সুতরাং, এক্সট্রুশনের ফলে এটি বিকৃত হবে কি না, তা এর উপাদান, পুরুত্ব, আকৃতি, কাঠামো ইত্যাদির উপর বেশি নির্ভর করে। চলুন, এক্সট্রুশনের পরে ঘটতে পারে এমন কয়েকটি পরিস্থিতি দেখে নেওয়া যাক।
১. যদি নিষ্কাশন জালটি স্থিতিস্থাপক এবং প্রসারণশীল হয়, তবে চাপের ফলে এটি স্থিতিস্থাপক বিকৃতি বা প্লাস্টিক বিকৃতির শিকার হবে। অর্থাৎ, এটি বিকৃতির পরে তার আসল আকারে ফিরে আসতে পারে বা তার আসল আকারে ফিরে আসতে পারে না।
২. যদি নিষ্কাশন জালের উপাদান তুলনামূলকভাবে ভঙ্গুর বা দুর্বল হয়, তবে চাপের ফলে তা ভেঙে বা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে। অন্য কথায়, বিকৃতির পর এটি তার মূল অবস্থায় ফিরে আসতে পারে না এবং এর ফলে নিষ্কাশন জালের কার্যকারিতা ব্যাহত হবে।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, ড্রেনেজ নেটের উপাদান এর প্রসারণ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। সুতরাং, প্রসারণের সময় ভালো কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য স্থিতিস্থাপকতা ও দৃঢ়তা সম্পন্ন ড্রেনেজ নেট নির্বাচন করা উচিত।
পোস্ট করার সময়: ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

